calendar();


My website


সোমবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৬

জলবায়ু পরিবর্তন

জলবায়ু পরিবর্তনের নানা প্রাকৃতিক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম প্রধান হল ‘কন্টিনেন্টাল ড্রিফট’ বা মহাদেশীয় সরণ, আগ্নেয়গিরির উদ্গিরণ, সমুদ্রের স্রোতপ্রবাহ এবং ‘আরথস টিল্ট’ বা পৃথিবীর হেলে থাকা।

ভুমিকাঃ
বিজ্ঞানীরা বলেন, এই পৃথিবী মোট ১৩ বার ধ্বংসের সম্মুখীন হয়েছে,ফের জীববৈচিত্রে ভরে গিয়েছে। এতবার পৃথিবী ধ্বংস হওয়ার মূল কারণ হল জলবায়ু পরিবর্তন। এর পিছনে রয়েছে প্রকৃতির অবদান। আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাদন থেকে শুরু করে ভূগর্ভের প্লেটের সঙ্ঘাত— অনেক কারণেই পৃথিবীর ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে।

কন্টিনেন্টাল ড্রিফট’ বা মহাদেশীয় সরণঃ
পৃথিবীর স্থলভাগ যখন একটু একটু করে ছেড়ে যেতে শুরু করল তখনই ধীরে ধীরে সৃষ্টি হল মহাদেশের। লক্ষ লক্ষ বছর আগে এই প্রক্রিয়ায় মহাদেশের জন্ম হয়েছে। মাটির এই সরে যাওয়া বা ছেড়ে যাওয়ার ফলে পৃথিবীর স্থলভাগের জলাশয়গুলির অবস্থানের পরিবর্তন হয়েছে এবং পরিবর্তন হয়েছে সমুদ্রের জলস্রোত ও বায়ুপ্রবাহের। এই পরিবর্তনগুলি জলবায়ুর উপর প্রভাব ফেলে। আজও এই মহাদেশীয় সরণ অব্যাহত রয়েছে।

আগ্নেয়গিরিঃ
যখন কোনও আগ্নেয়গিরি থেকে উদ্গিরণ হয় তখন প্রচুর পরিমাণে সালফার ডাই অক্সাইড গ্যাস, জলীয় বাষ্প, ধুলো, ছাই বায়ুমণ্ডলে নির্গত হয়। যদিও আগ্নেয়গিরির উদগিরণ মাত্র কয়েক দিন স্থায়ী হয়, তা হলেও প্রচুর পরিমাণে গ্যাস ও ছাই বের হওয়ায় তা দীর্ঘদিন ধরে প্রকৃতির উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে এবং জলবায়ুর পরিবর্তন ঘটায়। গ্যাস এবং ধুলো ভূপৃষ্ঠে আসা স্বাভাবিক সূর্যরশ্মির পথে বাধা সৃষ্টি করে, ফলে
জলবায়ু অনেকটা ঠান্ডা হয়ে যায়।

‘আরথস টিল্ট’ বা পৃথিবীর হেলে থাকাঃ
পৃথিবী তার কক্ষপথের উলম্ব তলের সঙ্গে ২৩.৫০ কোণে হেলে রয়েছে। পৃথিবী হেলে থাকার পরিবর্তন হলে তা জলবায়ুর উপর বড় প্রভাব ফেলে। জলবায়ু চরম আকার ধারণ করে। বেশি হেলে যাওয়া মানে গ্রীষ্ম ঋতু আরও বেশি গরম হওয়া ও শীত ঋতু আরও ঠান্ডা হওয়া। কম হেলে থাকা মানে গ্রীষ্মে গরম কম এবং শীতে ঠান্ডা কম।

সমুদ্রের স্রোতপ্রবাহঃ
জলবায়ু ব্যবস্থায় সমুদ্রের একটি বড় ভূমিকা রয়েছে। সমুদ্র পৃথিবীর ৭১ শতাংশ জুড়ে রয়েছে। সমুদ্র বায়ুমণ্ডলের চেয়ে দ্বিগুণ সূর্যের বিকিরণ শোষণ করে।

সুত্রঃ পোর্টাল কনটেন্ট টিম

বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ( শুনুন ) দক্ষিণ এশিয়ার একটি জনবহুল রাষ্ট্র । বাংলাদেশের সাংবিধানিক নাম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ। ভূ-রাজনৈতিকভাবে বাংলাদেশের পশ্চিম, উত্তর ও পূর্ব সীমান্তে ভারত, দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে
মায়ানমার ও দক্ষিণ উপকূলের দিকে

বঙ্গোপসাগর অবস্থিত। [৬] বাংলাদেশের ভূখণ্ড ভৌগোলিকভাবে একটি উর্বর ব-দ্বীপের অংশ বিশেষ। পার্শ্ববর্তী দেশের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরা-সহ বাংলাদেশ একটি

ভৌগোলিকভাবে
জাতিগত ও ভাষাগত " বঙ্গ " অঞ্চলটির মানে পূর্ণ করে। "বঙ্গ" ভূখণ্ডের পূর্বাংশ
পূর্ব বাংলা নামে পরিচিত ছিল, যা বর্তমানে বাংলাদেশ নামের দেশ। পৃথিবীতে যে ক'টি রাষ্ট্র জাতিরাষ্ট্র হিসেবে মর্যাদা পায় তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম।

বাংলাদেশের বর্তমান সীমান্ত তৈরি হয়েছিল ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে যখন ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনাবসানে , বঙ্গ (বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি) এবং ব্রিটিশ ভারত বিভাজন করা হয়েছিল। বিভাজনের পরে বর্তমান বাংলাদেশের অঞ্চল তখন পূর্ব বাংলা নামে পরিচিত ছিল, যেটি নবগঠিত দেশ পাকিস্তানের পূর্ব অঞ্চল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল।

পাকিস্তান অধিরাজ্যে থাকাকালীন ‘পূর্ব বাংলা’ থেকে ‘পূর্ব পাকিস্তান ’-এ নামটি পরিবর্তিত করা হয়েছিল। শোষণ, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে দারিদ্র্যপীড়িত বাংলাদেশে বিভিন্ন সময় ঘটেছে দুর্ভিক্ষ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ ; এছাড়াও প্রলম্বিত রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও পুনঃপৌনিক সামরিক অভ্যুত্থান এদেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বারংবার ব্যাহত করেছে। গণসংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৯৯১ খ্রিস্টাব্দে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে যার ধারাবাহিকতা অদ্যাবধি বর্তমান। সকল প্রতিকূলতা সত্ত্বেও গত দুই দশকে

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রগতি ও সমৃদ্ধি সারা বিশ্বে স্বীকৃতি লাভ করেছে।
বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম যদিও আয়তনের হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বে ৯৪তম; ফলে বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশগুলোর নবম। মাত্র ৫৬ হাজার বর্গমাইলেরও কম এই ক্ষুদ্রায়তন দেশের বর্তমান জনসংখ্যা ১৫.৫৯ কোটির বেশি অর্থাৎ প্রতি বর্গমাইলে জনবসতি ২৪৯৭ জন। [৭]
জনসংখ্যার ৯৮ শতাংশ মানুষের মাতৃভাষা
বাংলা ; শিক্ষার হার ৬৫ শতাংশ। ২০১২-১৩ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) পরিমাণ ছিল ১১,৯৮,৯২৩ কোটি টাকা (চলতি বাজারমূল্যে) যা ২০১৩-১৪ অর্থবছরে বৃদ্ধি লাভ করে ১৩,৫০,৯২০ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। একই সঙ্গে জনগণের মাথাপিছু বার্ষিক আয় পূর্ববর্তী বৎসরের ১,০৪৪
মার্কিন ডলার থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ১,১৯০ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে মর্মে সরকারী প্রাক্কলন করা হয়েছে, টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ ৯২,৫১০ টাকা। [৮] দারিদ্রের হার ২৬.২০ শতাংশ, অতিদরিদ্র মানুষের সংখ্যা ১১.৯০ শতাংশ, এবং বার্ষিক দারিদ্র হ্রাসের হার ১.৫ শতাংশ। এই উন্নয়নশীল দেশটি প্রায় দুই দশক যাবৎ বার্ষিক ৫ থেকে ৬.২ শতাংশ হারে

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অর্জনপূর্বক "পরবর্তী একাদশ " অর্থনীতিসমূহের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। রাজধানী ঢাকা ও অন্যান্য শহরের পরিবর্ধন বাংলাদেশের এই উন্নতির চালিকাশক্তিরূপে কাজ করছে। এর কেন্দ্রবিন্দুতে কাজ করেছে একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষী মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ত্বরিত বিকাশ এবং একটি সক্ষম ও সক্রিয় উদ্যোক্তা শ্রেণীর আর্বিভাব।

বাংলাদেশের রপ্তানীমুখী পোশাক শিল্প সারা বিশ্বে বিশেষভাবে প্রসিদ্ধ। জনশক্তি রপ্তানীও দেশটির অন্যতম অর্থনৈতিক হাতিয়ার।
গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্রের উর্বর অববাহিকায় অবস্থিত এই দেশটিতে প্রায় প্রতি বছর মৌসুমী বন্যা হয়; আর ঘূর্ণিঝড়ও খুব সাধারণ ঘটনা। নিম্ন আয়ের এই দেশটির প্রধান সমস্যা পরিব্যাপ্ত দারিদ্র গত দুই দশকে অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে সাক্ষরতার হার বৃদ্ধি পেয়েছে দ্রুত, জন্ম নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে অর্জিত হয়েছে অভূতপূর্ব সফলতা।

এছাড়া আন্তর্জাতিক
মানব সম্পদ উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশ দৃষ্টান্তমূলক অগ্রগতি অর্জনে সক্ষম হয়েছে। [৯] , তবে বাংলাদেশে এখনো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে যার মধ্যে রয়েছে পরিব্যাপ্ত
রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দুর্নীতি, বিশ্বায়নের প্রেক্ষাপটে অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রতলের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলশ্রুতিতে তলিয়ে যাবার শঙ্কা। এছাড়া একটি সর্বগ্রহণযোগ্য নির্বাচন ব্যবস্থার রূপ নিয়ে নতুন ভাবে সামাজিক বিভাজনের সৃষ্টি হয়েছে।

বাংলাদেশে সংসদীয় গণতান্ত্রিক
সরকার ব্যবস্থা প্রচলিত। বাংলাদেশ
দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা ও বিমসটেক-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। এছাড়া দেশটি জাতিসংঘ, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা , বিশ্ব শুল্ক সংস্থা ,
কমনওয়েলথ অফ নেশনস , উন্নয়নশীল ৮টি দেশ , জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন , ওআইসি , ইত্যাদি আন্তর্জাতিক সংঘের সক্রিয় সদস্য।

New Year 2017 SMS

ভুল কে আজ দাও ছুটি, বিবাদ কে আজ দাও বিদায়। মনকে আজ শুদ্ধ কর, শত্রুকে আজ বন্ধু কর। এই সময় এই ক্ষণ পাবে তুমি কতক্ষণ আসো তবে হাত মিলাই ,মনের সাথে মন মিলাই, ভালবাসায় ধন্য হোক জীবন, শুভ হোক তোমার আমার নববর্ষ ১৪২..

বার মাসে তের পার্বণ এবার এলো বলে,বাঙ্গালির একটি বছর গেলো চলে!!! নতুন বছর আসুক শুধু আনন্দের স্পর্শ,, আমার তরফ থেকে আমার সকল বন্ধুদের জানাই ****শুভ নববর্ষ****

ফুল ফুটেছে বনে বনে... ভাবছি তোমায় মনে মনে... বলছি তোমায় কানে কানে... "শুভ নববর্ষ"মনে আসুক বসন্ত,সুখ হোক অনন্ত! স্বপ্ন হোক জীবন্ত............. আর নতুন বছরের আনন্দ হোক অফুরন্ত!!!!! ************শুভ নববর্ষ**************

চৈত্রের রাত্রি শেষে, সূর্য আসে নতুন বেসে, সেই সূর্যের রঙ্গিন আলো, মুছে দিক তোমার জীবনের সকল কালো…! #শুভ_____নববর্ষ____

পুরনো যত হতাশা, দুঃখ, অবসাদ, নতুন বছর সেগুলোকে করুক ধূলিসাৎ। সুখ, আনন্দে মুছে যাক সকল যাতনা। *শুভ পহেলা বৈশাখ-১৪২..*

নতুন সূর্য, নতুন প্রাণ। নতুন সুর, নতুন গান। নতুন ঊষা, নতুন আলো। নতুন বছর কাটুক ভাল। কাটুক বিষাদ, আসুক হর্ষ। শুভ হোক নববর্ষ। সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা।...

নতুন আশা নতুন প্রাণ______♥ নতুন হাসি নতুন গান_______♥ নতুন সকাল নতুন আলো___♥ নতুন দিন হোক ভালো______♥ দুঃখকে ভুলে যাই___________♥ নতুনকে স্বাগত জানাই______♥ ________শুভ নববর্ষ_________

নিশি অবসান প্রায় ঐ পুরাতন বর্ষ হয় গত আমি আজি ধূলি তলে জীর্ণ জীবন করিলাম নত | বন্ধু হও শত্রু হও যেখানে যে রত ক্ষমা কর আজিকের মত পুরাতন বছর সাথে পুরাতন অপরাধ যত হর্দম হৈ হৈ, বৈ এলো ঐ, কলার পাতায় ইলিশ পান্তা | ঈশান কোনে মেঘের বার্তা | শুভ নববর্ষ

পানতা ইলিশ আর ভরতা বাঙ্গালীর প্রাণ...>> নতুন বছর সবাই গাইবো বৈশাখের গান.. .>> এসো হে বৈশাখ এসো এসো... ^~^~শুভ নববর্ষ~^~^

ঝরে গেল আজ বসন্তের পাতা, নিয়ে যাক সঙ্গে সব মলিনতা । বৈশাখের সকালে, লাগুক প্রাণে আনন্দের এই স্পর্শ, মন থেকে আজ জানাই তোমায় “শুভ নববর্ষ” নতুন পোশাক নতুন সাঁজ। নতুন বছর শুরু আজ।মিষ্টি মন মিষ্টি হাঁসি।শুভেচ্ছা জানাই রাশি রাশি॥

বানী

আনন্দকে ভাগ করলে দুটি জিনিস পাওয়া যায়; একটি হচ্ছে জ্ঞান এবং অপরটি হচ্ছে প্রেম।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

কল্পনা জ্ঞানের চেয়ে আরো গুরুত্বপূর্ণ।
অ্যালবার্ট আইনস্টাইন

শিক্ষার শেকড়ের স্বাদ তেঁতো হলেও এর ফল মিষ্টি।
এরিস্টটল

যদি তা সঠিক হয় তবে মাত্র একটি ধারণা আমাদের বহুসংখ্যক অভিজ্ঞতা অর্জনের শ্রম থেকে বচিয়ে দেয়।
জ্যাক মারিত্যা

দেখবার জন্য আমাদের চোখের যেমন আলোর প্রয়োজন, ঠিক তেমনী কোনো প্রত্যয় অর্জন করবার জন্য আমাদের ভাবনার প্রয়োজন।
নিকোলাস খালব্রাঁশ

নতুন জানার যেমন যন্ত্রনা আছে, তেমনি আনন্দও আছে।
ক্রিস্টোফার মর্লি

জ্ঞানীরা ধনসঞ্চয় করেন অর্থপিশাচদের মুখাপেক্ষী না হওয়ার জন্য।
এরিস্টটল

জানা সত্ত্বেও মেনে না চলার চেয়ে না জানাই ভালো।
টেনিসন

বিশ্বের সবচেয়ে অজ্ঞেয় বিষয় তা বোধগম্য হয় না।
অ্যালবার্ট আইনস্টাইন